in ,

পড়াশোনা শেষে পেলেন বছরে ২ কোটি রুপি বেতনের চাকরি

করোনা ভাইরাস মহামারির মধ্যে বিশ্বজুড়ে অর্থনীতিতে বড় ধস নেমেছে। চাকরি হারাচ্ছেন অসংখ্য মানুষ। এর মধ্যে যদি কেউ একটি চাকরি পেয়ে যান, তাতে বুকটা প্রসারিত হয়। স্বস্তির নিঃশ্বাস নিতে পারেন। কিন্তু সেই চাকরি যদি হয় কোটি টাকার! তাহলে তো আকাশের চাঁদটাকেই ঘরে পাওয়া হয়ে যাবে। হ্যাঁ, এমনই এক কাণ্ড ঘটিয়েছেন ভারতের হায়দরাবাদের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার দীপ্তি নারকুটি। তিনি প্রযুক্তি বিষয়ক বহুজাতিক মাইক্রোসফটে একটি চাকরি পেয়েছেন। এ জন্য তাকে বছরে বেতন দেয়া হবে ২ কোটি রুপি বা প্রায় দুই কোটি ৩২ লাখ টাকা।
কি বিশ্বাস করতে পারছেন না! খবর কিন্তু সত্য। এ খবর দিয়েছে ভারতের অনলাইন এনডিটিভি। এতে বলা হয়েছে, মাইক্রোসফটের গ্রেড-২ গ্রুপে তাকে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে। এরই মধ্যে তিনি কাজে যোগও দিয়েছেন। এই রিপোর্টের সূত্র হিসেবে দ্য হ্যান্স ইন্ডিয়ান’কে উদ্ধৃত করা হয়েছে।

এতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলে অবস্থিত মাইক্রোসফটের প্রধান কার্যালয়ে কাজ করছেন দীপ্তি নারকুটি। ইউনিভার্সিটি অব ফ্লোরিডা থেকে তিনি কমপিউটারে এমএস ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন। মাইক্রোসফট এই চাকরিটির জন্য বিজ্ঞপ্তি দিয়েছিল। সেখানে ৩০০ প্রার্থী আবেদন করেছিলেন। তার মাঝ থেকে বেছে নেয়া হয়েছে দীপ্তিকে। মাইক্রোসফট এদের মধ্য থেকে সর্বোচ্চ প্যাকেজ বন্টন করেছে। তাতে দীপ্তি পেয়েছেন সবচেয়ে বেশি প্যাকেজ। তার এ কৃতীত্বে টুইটারে অভিনন্দন জানিয়েছেন হায়দরাবাদের পুলিশ কমিশনার অঞ্জনি কুমার। দীপ্তির দক্ষতায় বলা হয়েছে, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের এএএ-রেটের বিভিন্ন প্রযুক্তি বিষয়ক কোম্পানি থেকে চাকরির প্রস্তাব পেয়েছিলেন তার পোস্ট গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন হওয়ার আগেই। এর মধ্যে আছে অ্যামাজন, গোল্ডম্যান স্যাকস।

গত ১৭ই মে মাইক্রোসফটে কাজ শুরু করেছেন দীপ্তি নারকুটি। তিনি এর আগে জেপি মর্গানে একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করেছেন। প্রযুক্তি বিষয়ে ব্যাচেলর ডিগ্রি সম্পন্ন করার পর তিনি যোগ দিয়েছিলেন আমেরিকান ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকে। হায়দরাবাদের ওসমানিয়া কলেজ অব ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে তিনি গ্রাজুয়েশন ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন। হায়দরাবাদে পুলিশ কমিশনারেটে তার পিতা একজন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ। জেপি মর্গানে তিন বছর কাজ করার পর উচ্চ শিক্ষার জন্য চাকরি থেকে ইস্তফা দেন দীপ্তি। তাকে মাস্টার্স ডিগ্রি সম্পন্ন করার জন্য বৃত্তি প্রস্তাব করে ইউনিভার্সিটি অব ফ্লোরিডা।
লিঙ্কডইন-এ নিজের প্রোফাইলে দীপ্তি বলেছেন, বাস্তব সময়োপযোগী প্রকল্পে কাজ করতে ভালবাসেন তিনি। তিনি লিখেছেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি প্রতিদিনের যেসব সমস্যা তার সমাধান করতে পারে প্রযুক্তি। এর ফলে জনগণের জীবনে বড় রকম পরিবর্তন আসতে পারে। দক্ষতার স্থানে তিনি লিখেছেন, তিনি জানেন অ্যাজিলে স্ক্র্যাম মেথোডোলজি, ফুল স্ট্যাক এপ্লিকেশনস, সিস্টেম ডিজাইন, আরডিবিএমএস, নোএককিউএল, অবজেক্ট অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এবং অটোমেশন, গিট, কিউকামবার, সেলেনিয়াম, জিরা, অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস এবং মাইক্রোসফট অ্যাজিউর ক্লাউড।

কী হলো বহুবলী নায়িকার?

রোজিনার গ্রেফতারের ঘটনায় দেশের বদনাম হচ্ছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী