in ,

২০০ কিলোমিটারজুড়ে গাড়ির সারি

কুমিল্লা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া হয়ে ঢাকার কাছাকাছি পর্যন্ত প্রায় ২শ’ কিলোমিটার সড়কে স্থির হাজার হাজার পণ্যবাহী যানবাহন। কিছু সময় পর পর ২/৩ কিলোমিটার গতিতে থেমে থেমে চলছে। গত দু’দিন ধরে চলছে এই অবস্থা। মহাসড়ক জুড়ে হাজার হাজার ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, লং বিহিকেলের সারি।

জানা যায়, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাঁচপুর ও মেঘনা সেতুর মাঝামাঝিতে অবস্থিত লাঙ্গলবন্ধ সেতুর ক্ষতিগ্রস্ত ডেক স্ল্যাব মেরামত কাজের কারণে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের যানবাহন এদিক দিয়ে চলাচলের নির্দেশনা দেয়া হয়। মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত যানবাহনসমূহ শুধু সেতুর একপাশ দিয়ে চলাচল এবং রাত ১০টার পর থেকে বুধবার বেলা ৩টা পর্যন্ত সেতুর ওপর দিয়ে পুরোপুরি যানবাহন চলাচল বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়। বিকল্প পথ হিসেবে হালকা যানবাহনসমূহকে মোগড়াপাড়া-কাইকারটেক ব্রিজ-নবীগঞ্জ-মদনপুর সড়ক এবং ভারি যানবাহনসমূহকে কাঁচপুর-ভুলতা-নরসিংদী-ভৈরব ব্রিজ-সরাইল-ব্রাহ্মণবাড়িয়া-কুমিল্লা সড়ক ব্যবহার করতে বলা হয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ট্রাফিক গুঞ্জন দে জানান, থেমে থেমে গাড়ি চলছে। কখনো ২/৩ কিলোমিটার, কখনো ২০ কিলোমিটার গতিতে গাড়ি চলছে।
একেবারে থেমে নেই। ৪ লেন হাইওয়ের গাড়ি এই এক লেন সড়ক দিয়ে চলছে। সঙ্গত কারণে কুমিল্লা-সিলেট সড়কে বড় ধরনের লোড পড়েছে। তাছাড়া সিলেট হাইওয়ের গাড়িও আছে।

এদিকে বন্দর (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মদনপুর-মোগরাপাড়া এলাকায় দুই পাশ বন্ধ করে ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর লাঙ্গলবন্দ সেতু মেরামত কাজ শুরু করে সড়ক ও জনপথ কর্তৃপক্ষ। টানা দুদিনে ৩০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেট মহাসড়ক ও এশিয়ান হাইওয়ে আটকা পড়ায় চরম দুর্ভোগে পড়ে অ্যাম্বুলেন্স, মাইক্রোবাস, লাশবাহী ও পণ্যবাহীসহ হাজার হাজার যানবাহন।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ১২ থেকে ১৪ই জুলাই পর্যন্ত লাঙ্গলবন্দ সেতুর মেরামত কাজ চলবে এই মর্মে সড়ক ও জনপথ বিভাগ প্রজ্ঞাপন জারি করলেও প্রবেশ পথগুলোতে নিয়োজিত পুলিশের দায়িত্বে অবহেলার কারণে মূলত যাটজটের সৃষ্টি হয়েছে। প্রবেশে নিষেধাজ্ঞায় পথে পুলিশের ব্যারিকেড না থাকায় উল্টো পথে যানবাহন প্রবেশে করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়ে মহাসড়কের ওপর হযবরল অবস্থা।

কাঁচপুর হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, সোমবার সকাল ৮টায় লাঙ্গলবন্দ সেতুর মেরামতের কাজ শুরু করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। প্রথম দিনে কাজ চলাকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের একলেনে গাড়ি চলাচল করেছিল। দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার রাতে ওই লেনও বন্ধ রাখা হয়। এতে যানবাহন আটকা পড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। আজ বুধবার সন্ধ্যায় বা রাতের মধ্যে সেতুর মেরামত কাজ শেষ হলে যান চলাচল স্বাভাবিক হবে।

সিরিজের মাঝপথে দেশে ফিরছেন মুশফিক

এবার ছয়টা, প্রতিবছর একটি করে গরু বাড়াবো: পরিমনি