এভারকেয়ার হাসপাতালে বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তার ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার গুঞ্জন ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও সম্প্রতি এক ফেসবুক পোস্টে তিনি দাবি করেছেন, দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত তার ‘একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়’।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, তারেক রহমান দেশে ফিরলে বিমানবন্দর থেকেই স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) নিরাপত্তা প্রদান করবে। রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী বা সমমর্যাদার ব্যক্তিরাই সাধারণত এ নিরাপত্তা পান। খালেদা জিয়াকেও সম্প্রতি ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ ঘোষণা করে এসএসএফ নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে।
গোয়েন্দা সূত্র বলছে, তারেক রহমানের দেশে ফেরায় কোনো নিরাপত্তা শঙ্কা নেই। তবে এখন পর্যন্ত তিনি দেশে ফেরার উদ্যোগ নেননি। খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্টের ওপর নির্ভর করবে তাকে বিদেশে নেওয়া সম্ভব হবে কিনা। যদি সম্ভব না হয়, তারেক রহমান তাৎক্ষণিক দেশে ফিরতে পারেন। সার্বিক হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি ডিসেম্বরের ১১ তারিখের মধ্যে দেশে ফিরতে পারেন।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা পর্যালোচনা করে তারেক রহমান দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেবেন।
অন্যদিকে লন্ডনে থাকা অবস্থায় তারেক রহমান মেয়াদোত্তীর্ণ পাসপোর্ট নবায়ন করেননি। দেশে ফিরতে হলে বাংলাদেশি পাসপোর্ট বা ট্রাভেল পাস প্রয়োজন। সরকার জানিয়েছে, তিনি চাইলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে। তবে এখন পর্যন্ত তিনি আবেদন করেননি।
স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টারা জানিয়েছেন, তার জন্য নিরাপত্তা বা ট্রাভেল পাস উভয়ই সরকার প্রস্তুত রেখেছে।

